লিংকডইন ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট যা পেশাজীবীরাই বেশি ব্যবহার করে থাকে। ২০১৩ সালের এক বিবৃতিতে লিঙ্কডইন ঘোষণা দেয় বর্তমানে তাদের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০০ মিলিয়ন, যারা ২০০টি ভিন্ন ভিন্ন দেশের নাগরিক।
লিংকডইন দিয়ে কী করা যায়?
আপনি চাকরি অথবা ব্যবসা করছেন কিংবা করার যদি সম্ভাবনা/পরিকল্পনা থেকে থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার LinkedIn প্রোফাইল থাকা উচিত। আপনি যদি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার লিংকডইন প্রোফাইল থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
LinkedIn সবার কাছেই সুপরিচিত একটি নাম। পেশাদারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি হচ্ছে এই লিংকডইন। পেশাজীবীদের কাছে কাজের এক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হলো লিংকডইন। বর্তমানে করপোরেট জগতে নিয়োগকর্তারা চাকরিপ্রার্থীর যোগ্যতা যাচাইয়ে লিংকডইনের সহায়তা নেন। কারণ একজন কর্মীর সব কটি পেশাগত দক্ষতা সম্পর্কে জানতে লিংকডইনের বিকল্প নেই। চাকরি বদলানো বা নতুন চাকরি পেতেও সহায়ক এই ওয়েবসাইট।
এই সাইটটি বর্তমানে ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান, ইতালীয়, পর্তুগিজ, স্পেনিশ, ওলন্দাজ, সুইডিশ, রোমানিয়ান, রাশিয়ান, তুর্কি, জাপানিজ, চেক, পোলিশ, কোরিয়ান, ইন্দোনেশিয়ান এবং মালয় ভাষায় ব্যবহার করা যায়।
শুধু পেশাজীবীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটটি। ২০০৩ সালে রেড হোফম্যান চালু করেন। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটির বেশি মানুষ লিংকডইন ব্যবহার করে চলেছেন ক্যারিয়ারে পথচলা সুন্দর করতে। পেশাজীবীদের জন্য তৈরি এই সাইটে ইচ্ছে করলেই নিজের সব তথ্য রাখা যায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিজের কাজের খবর, বর্তমানে যেখানে কর্মরত এসব তথ্য সহজেই শেয়ার করা যায়। একনজরে কারও সব কটি পেশাগত বিষয় জানতে লিংকডইনের জুড়ি নেই।
বাংলাদেশেও বেশ দ্রুতগতিতে বেড়ে চলেছে লিংকডইনের জনপ্রিয়তা।