কবিতার শিরোনামঃ ষড়যন্ত্রে আগস্ট

উইলিয়াম (আল-আমিন), বাবুখাঁ, রংপুর।

ভোগে লোভ আর বিলাসিতা দেখা যায়,

ষড়যন্ত্রে তাহারাই লিপ্ত হয়।

ত্যাগে আবিস্কার, কিছু দিতে চায় বারবার,

ধাওয়া করে সরে না পিছু তার।

ষড়যন্ত্র ফার্সি, সংস্কৃত ভাষা

ব্যক্তি ফায়দায় কেড়ে নেয় সব আশা।

 

ছিল, যুগ যুগ ধরে থাকবে,

দুর করতে কি পারবে?

পাকিস্তানের স্বীকৃতি, জাতিসংঘে অন্তর্ভূক্ত দেশ

মরিয়া হয়ে বড় আক্রোশে সপরিবারকে করল শেষ।

ষড়যন্ত্র চলমান, অপশক্তি, অদৃশ্য দেখা যায় না,

দলবদ্ধ, একজোট বলে কখনও শেষ হয় না।

আগস্টে গ্রেনেড হামলা বিশাল ষড়যন্ত্র একই ধারায় প্রকাশ পায়,

কুট কৌশলীদের কাছে বঙ্গবন্ধু ছিলেন নিরুপায়।

ষড়যন্ত্রের কৌশলকে যত ধ্বংস করা যাবে,

সে দেশ তত উন্নত হবে।

 

দুঃখ, কষ্ট প্রদেশে ছিল বলে জাতিসংঘে বিচার দিতে চেয়েছিল

অবশেষে দেশটি মোর জাতিসংঘে অন্তর্ভূক্ত হলো।

বিজোড় সংখ্যা দুইটি হামলায় ছিল,

আগস্ট মাস যড়যন্ত্রকারীরা বেছে নিল।

সেই নিস্পাপ শিশুটির কথা বড়ই মনে পড়ে,

বিশাল আক্রোশ, বাঁচতে চেয়েছিল, দিল না তারে।

যুগ হতে যুগান্তরে প্রজন্মদের কষ্ট হবে,

প্রতিহত করলো না কেহই, যড়যন্ত্রকে কেউ দুর করতে পারবে!

জাতিসংঘে দেশের মানুষের গুরুত্ব, সরলতা প্রকাশ পায়,

সোনার বাংলা গড়াতে বঙ্গবন্ধু আপ্রাণ চেষ্টা চালায়।

পঁচাত্তরের আগে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল,

বঙ্গবন্ধু দেখেছিল স্বপ্ন, বিশাল ষড়যন্ত্রে শেষ করে দিল।

 

অন্তর্ভূক্ত বলে মাতৃভাষা, শহীদদের সম্মান জানান,

সকল বাঙ্গালীকে মনে করত আপনজন।

সরলতা, উদারতা, বিশ্বস্ততা ছিল তাঁহার মন,

পাকিস্তান আমাকে হত্যা করতে পারে নাই,

এই বিশ্বাসে নির্ভয়ে ছিলেন তাই।

সোনার ছেলেরা আমাকে মারতে পারবে!

যড়যন্ত্রে কষ্ট, বেদনা জেনেও প্রজন্মরা কি ষড়যন্ত্র করবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *