র‍্যাব-১৩ এর অভিযানে ধর্ষণ মামলার মূল আসামী গ্রেফতার।

র‍্যাব-১৩ এর অভিযানে ধর্ষণ মামলার মূল আসামী গ্রেফতার।

নিউজ ডেক্সঃ
র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে

অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‍্যাব নিয়মিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সঙ্গবদ্ধ অপরাধী, অপহরণকারী, ধর্ষণকারী, মাদক, ছিনতাইকারী, ডাকাতসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আসছে।

গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার শংকরপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুর করিম এর ছেলে মোঃ লিতুন মিয়া (২৮) এর বিরুদ্ধে ধর্ষণ এর অভিযোগে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়।

ভিকটিমের সরলতার সুযোগ নিয়ে তাকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করার অভিযোগে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে উক্ত মামলা দায়ের করে।

উক্ত মামলার পলাতক আসামী মোঃ লিতুন মিয়া (২৮)’কে গ্রেফতারের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্ম্কর্তা কোম্পানী কমান্ডার, র‍্যাব-১৩, রংপুর বরাবর একটি অধিযাচন পত্র দায়ের করে।

এর ভিত্তিতে তথ্য উপাত্ত গুলো বিবেচনায় এনে র‍্যাব -১৩ তাৎক্ষণিক ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।

পরবর্তীতে সিপিএসসি, র‍্যাব-১৩, রংপুর এবং সিপিসি-১, র‍্যাব-১০, যাত্রাবাড়ী এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইং ০৪/০২/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন শ্রীপুর এলাকায় যৌথ অভিযান

পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষণ মামলার পলাতক মূল আসামী মোঃ লিতুন মিয়া (২৮), পিতা-মোঃ আব্দুল করিম, সাং-শংকরপুর (শংকরপুর মন্ডলপাড়া), থানা-বদরগঞ্জ, জেলা-রংপুর’কে গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ভিকটিমকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করে ।

আরো জানায় যে, মেয়েটিকে প্রায়ই পরিবারের লোকজনদের অজ্ঞাতসারে বিবাহ করার প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে প্রণয়ে জড়িয়ে বিভিন্ন সময়ে দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় ।

এতে মেয়েটি তাকে বিবাহ করার জন্য তাগাদা দিলেও সে নানা ধরণের অজুহাত দিয়া সময় কালক্ষেপণ করতে থাকে।

বিষয়টি গোপন রাখার জন্য সে মেয়েটিকে নানা ধরণের ভয় ভীতি মূলক কথাবার্তা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *