রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় ম্যাচেও জিতল বাংলাদেশ

বাংলাদেশের বিপক্ষে শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও হেরেছে নিউজিল্যান্ড। এদিন টান টান উত্তেজনায় ঠাসা একটি ম্যাচ উপভোগ করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এ ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান তুলে স্বাগতিকরা। জবাবে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান তুলতে সক্ষম হয় সফরকারীরা। ফলে রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৪ রানে জিতেছে বাংলাদেশ।

এর আগে কিউইদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ৭ উইকেটে জিতেছে টাইগাররা। আজ দ্বিতীয় ম্যাচে সফরকারীদের হারিয়ে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

তবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাট হাতে কিউইদের শুরুটা দেখে মনে হচ্ছিল আত্মবিশ্বাসী। তৃতীয় ওভারে সাকিবের বলে ছক্কাও হাঁকান রাচিন রবীন্দ্র। কিন্তু পরের বলে আগ্রাসী হতে গিয়ে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন ১০ রানে। তৃতীয় ওভারে মেহেদীর ঘূর্ণি বুঝতে পারেননি টম ব্লান্ডেলও। উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে স্টাম্পড হয়ে ফিরেছেন ৬ রানে। এর পর দলের হাল ধরেন টম লাথাম ও উইল ইয়াং। উইল ইয়াংকে ফিরিয়ে স্বস্তি এনে দিয়েছেন সাকিব। শুরুতে দুই উইকেট হারানোর পর লাথাম-ইয়ংয়ের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় কিউইরা। সাকিবের ঘূর্ণি বলে শর্ট থার্ডম্যান অঞ্চলে সাইফউদ্দিনের হাতে ক্যাচ দিলে ভাঙে ৪৩ রানের জুটি। ২৮ বলে ৩টি চারে ২২ রান করেন ইয়ং। তবে এর পরও জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে কিউইরা।

টাইগারদের পক্ষে বল হাতে সাকিব ও মেহেদি ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালোই করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে ৯.৩ ওভারে কিউই বোলার রাচিন রবীন্দ্রর স্লোয়ারে পরাস্ত হয়ে আউট হন লিটন দাস। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। দলীয় ৫৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর ব্যাটিং অর্ডারে উপরে এসে ৯.৪ ওভারে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। দুর্দান্ত শুরুর পর যেনো হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে। এরপর ক্রিজে আসেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। কিন্ত দ্রুত রান তুলতে গিয়ে আউট হন সাকিব। তিনি ৭ বলে ১২ রান করেন। এরপর নাইমের সঙ্গে হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু দলীয় ১০৬ রানে আউট হন নাইম। তিনি রাচিন রবীন্দ্রর বলে ব্লান্ডেলের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। সাজঘরে ফেরার আগে ৩৯ বলে ৩টি চারের সাহায্যে নাইম ৩৯রান করেন।

এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকতে পারেনি। তিনি গ্র্যান্ডহোমের বলে লং অনে ধরা পড়েন এজাজ প্যাটেলের হাতে। তার ব্যাট থেকে আসে ৩ বলে ৩ রান। তবে লড়াই করতে থাকেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি ৩২ বলে অপরাজিত ছিলেন ৩৭ রানে। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার।

বল হাতে কিউইদের হয়ে রাচিন রবীন্দ্র ৩উইকেট শিকার করেন। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন এজাজ প্যাটেল, কোল ম্যাকনকি ও হামিশ ব্যানেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *