মাত্র ৫ টাকা শসার কেজি

 

 

শসার কেজি মাত্র ৫ টাকা!

কুড়িগ্রামে এই মৌসুমে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে শীতের প্রভাব ও বাজারে চাহিদা না থাকায় মাত্র ৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা।

 

রবিবার (২৮ নভেম্বর) সরেজমিনে সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর হাটে প্রতিমণ শসা ১৫০ থেকে ২০০ টাকা মণ বিক্রি করতে দেখা গেছে। এদিকে জেলায় উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, সদর উপজেলায় শসা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫০ হেক্টর জমিতে। তবে অর্জিত হয়েছে ১৬০হেক্টর জমিতে।

 

সদরের ঘোগাদহ ইউনিয়ন থেকে যাত্রাপুর হাটে শসা বিক্রি করতে আসা বেলাল হোসন বলেন, আমি দেড় বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। তবে বাজারে চাহিদা না থাকায় পাইকাররা শসা কিনছেন না। ১০০ টাকা মণ দিতে চাইছি তাও নেয় না।

 

তিনি জানান, কোন উপায় না পেয়ে নিজেই ৫টাকা কেজিতে খুচরা বিক্রি করছি। তাও মানুষ নিচ্ছে না। বাকি যা আছে বিক্রি না হলে বাড়ি নিয়ে যাব। শীতকাল আসাতেই শসার চাহিদা কমে গেছে। কয়েকদিন আগেও ৫-৬শ টাকা মণ বিক্রি হয়েছে।

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়ন থেকে যাত্রাপুর হাঁটে শসা বিক্রি করতে আসা রফিকুল জানান, কয়েকদিন আগ পর্যন্ত বাজার ভালো থাকায় আসল টাকা তুলেছি। হাটে চাহিদা না থাকায় আজ ৫-৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কপাল ভালো যে আগেই আসল টাকা তুলতে পেরেছি। এখন যা আসে আসুক।

 

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে বাজারে শসার উৎপাদন বেশি আর শীতকালে চাহিদা কম থাকায় দাম একটু কম। এছাড়া কৃষকরা শহরাঞ্চলে বিক্রি করতে না পারায় দাম আরও কমে গেছে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *