বড়ো পরাজয় বাংলাদেশের

 

চট্টগ্রাম টেস্টে বড়ো পরাজয় বাংলাদেশের

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড নিয়েও হার এড়াতো পারলো না বাংলাদেশ। বড়ো পরাজয় দিয়ে শুরু হলো টাইগারদের নতুন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ।

 

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) পঞ্চম দিনে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আট উইকেটে জয় তুলে নিলো পাকিস্তান। বাংলাদেশের দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্য মাত্র দুই উইকেট হারিয়েই করে জয়ী বাবর আজমের দল। দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান।

 

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের ১১৪ ও মুশফিকুর রহিমের ৯১ রানে ভর করে ৩৩০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে আবিদ আলির ১৩৩ রানের পরও ২৮৬ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান। বাঁহাতি স্পিনে তাইজুল একাই নিয়েছিলেন সাত উইকেট।

 

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন পাঁচ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের।

 

যা খুব সহজেই করে ফেললো তারা। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও দলের নায়ক আবিদ আলি। মাত্র ৯ রানের জন্য জোড়া সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার শফিক খেলেছেন ৭৩ রানের ইনিংস। নিজের অভিষেক টেস্টে দুই ইনিংসেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন শফিক।

 

এদিকে দিনের দশম ওভারে প্রথমবারের মতো আক্রমণে আনা হয়েছিল মিরাজকে। ওভারের পঞ্চম বলে অভিষিক্ত শফিককে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি শফিক। আম্পায়ার্স কলের কারণে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে।

 

আউট হওয়ার আগে শফিক খেলেছেন আট চার ও এক ছয়ের মারে ৭৩ রানের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৫২ রান।

 

সেঞ্চুরির পথেই আগানো আবিদকে ফেরান তাইজুল। এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়লে রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি পাকিস্তানি ওপেনার। আউট হওয়ার আগে ১২ চারের মারে ৯১ রান করেছেন আবিদ।

 

এরপর জয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

 

ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *