পিতা ধর্ম দিয়ে ঘনিষ্টতা, পরবর্তিতে মোটরসাইকেল চুরি

পিতা ধর্ম দিয়ে ঘনিষ্টতা, পরবর্তিতে মোটরসাইকেল চুরি।

রংপুর নগরীর হরিরামমল এলাকার মোঃমোস্তাফিজার রহমান পেশায় একজন ব্যাবসায়ি ও সাদা মনের মানুষ অপর দিকে সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুর থানার খুকনি এলাকার মোঃএমদাদুল হক একজন পরধন লোভি ও টাউট প্রকৃতির মানুষ।মোঃমোস্তাফিজার রহমানের ছেলের সাথে দীর্ঘদিন নরসিংদিতে চাকুরির সুবাদে তার পরিচয় ও পরবর্তিতে মোঃমোস্তাফিজার রহমানকে পিতা ধর্ম দিয়ে তার বিশ্বাস অর্জন করেন এমদাদুল হক।

পরবর্তিতে মোঃমোস্তাফিজার রহমানের বাড়িতে বেড়াতে আসে এমদাদুল হক পরে তার ছেলেকে সাথে নিয়ে কাপড়ের ব্যাবসা শুরু করেন।পরে মোঃমোস্তাফিজার রহমান এমদাদুল হক কে ২ লক্ষ টাকা প্রদান করেন এবং কাপড় নিয়ে এসে তারা যৌথভাবে ব্যাবসা শুরু করেন।পরবর্তিতে এমদাদুল হক তার স্ত্রীকে নিয়ে এসে মোঃমোস্তাফিজার রহমানের বাসায় বসবাস শুরু করেন পরে মোঃমোস্তাফিজার রহমান মাইদুল ইসলামের নিকট নগত ৭ লক্ষ টাকা ও নিজের স্ত্রীর নিকট জমি বন্দোক রেখে ৩ লক্ষ টাকা ও টিএমএস এনজিও থেকে ৮০ হাজার টাকা লোন নিয়ে সর্বমোট ১০ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

এমদাদুল হক মোঃমোস্তাফিজার রহমান কে বাবা ডেকে তার সাথে সু সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং তার ব্যাবহৃত মোটর সাইকেল প্রায় নিয়ে বিভিন্ন জায়গাতে যাতায়াত করতেন।এর মধ্যে একদিন মোঃমোস্তাফিজার রহমান তার ধান ক্ষেতে কাজ করতে গেলে বাসায় ফিরতে দেরি হয় পরবর্তিতে বাসায় এসে দেখেন তার ব্যাবহৃত মোটরসাইকেল বাড়িতে নেই।

মোটরসাইকেল টির নাম হিরো ইগনিক ১২৫ সিসি যার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার রংপুর হ-১১-৪৮২৪ এরপর চিল্লাচিল্লি করে এমদাদুল হক এর রুমে গিয়ে দেখেন তিনি নেই এবং তার স্ত্রী কাপড় গোছাতে ব্যাস্ত এবং মোস্তাফিজ কে বলেন এমদাদুল ঔষধ কিনতে বাজারে গিয়েছে পরে কৌশলে তিনি ও সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

পরবর্তিতে এমদাদুল কে ফোন দিলে তিনি জানান যে মোটরসাইকেল তিনি আর ফেরত দিবেন না এবং বেশি বাড়াবাড়ি করলে মোস্তাফিজ কে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

পরবর্তিতে মোস্তাফিজুর রহমান রংপুর মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন
বর্তমানে মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে।

এবং মোস্তাফিজুর রহমান নিজের পরিবার নিয়ে আতঙ্কে দিন যাপন করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *