নীলফামারী সদরে বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের ফলে আগুনে পুড়ে যায় তিনটি বাড়ি

নীলফামারী সদরে বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের ফলে আগুনে পুড়ে যায় তিনটি বাড়ি।

আব্দুস সালাম ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-

নীলফামারী সদরের ১১ নং সোনারায় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জয়চন্ডী মাঝাপাড়া গ্রামে বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের ফলে তিনটি বাড়ীর ১৫টি ঘর, স্বর্নালংকার, ফ্রিজ, টিভি, মোটর সাইকেল ও জমানো প্রায় ১২ লক্ষ টাকা সহ সকল আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৯ ঘটিকার সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোঃ আতিয়ার রহমানের ঘরে থাকা ফ্রিজ থেকে বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের ফলে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় মোঃ আতিয়ার রহমানের ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী উত্তরা ইপিজেডের কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন। এতে প্রতিবেশী মোঃ সাফিয়ার রহমান ও আঃ লতিফ এর বাড়িও পুড়ে যায়।

নীলফামারীর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে নেয় এতে আশেপাশের বাড়ি গুলো রক্ষা পায়।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ আতিয়ার রহমান বলেন, মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে আগুনের লেলিহান শিখা আমার বাড়ির সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে নিমিষেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায় কোনো কিছুই রক্ষা করতে পারি নাই। তিনি আরও বলেন, স্বর্নালংকার, ফ্রিজ, টিভি, মোটর সাইকেল ও জমি কেনান জন্য জমানো প্রায় ১২ লক্ষ টাকা সহ অন্যান্য সকল আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে অন্যান্য বাড়ির কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক বলা সম্ভব নয়।

এদিকে নবনির্বাচিত নীলফামারী সদর উপজেলা চেয়াম্যান মোঃ আবুজার রহমান আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোজ খবর নেন এবং তাদেরকে চাল, ডাল, তেল কম্বল, খাদ্য দ্রব্য সহ আর্থীক সহযোগিতা করেন। এছাড়াও স্থানীয়রা ও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চাল, ডাল, তেল কম্বল, খাদ্য দ্রব্য সহ আর্থীক সহযোগিতা করেছেন।

নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের জেষ্ঠ্য স্টেশন কর্মকর্তা মো. মিয়াজ উদ্দিন শীর্ষ নিউজ টোয়েন্টিফোরকে বলেন, আমাদের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রন করেন এবং নেভাতে সক্ষম হয়। এতে মোঃ আতিয়ার রহমানের বাড়ির সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং মোঃ সাফিয়ার রহমানের তিনটি ঘর ও আঃ লতিফ এর দুইটি ঘর পুড়ে যায়।

উল্লেখ্য, নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তানভিরুল ইসলাম শীর্ষ নিউজকে বলেন, আগুনে তিনটি বাড়ির পনেরটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *