নম্রতা মহেশের যে শর্তে অভিনয় ছেড়েছিলেন

নম্রতা মহেশের যে শর্তে অভিনয় ছেড়েছিলেন

অভিনয় জগতের জনপ্রিয় তারকা দম্পত্তি মহেশ বাবু ও নম্রতা শিরোদকর। ক্যারিয়ারে মহেশ জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকলেও বিয়ের পর নিজেকে গুটিয়ে নেন নম্রতা।

বড় পর্দায় সাবলীল অভিনয় এবং ব্যক্তিত্বের কারণে অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী রয়েছে মহেশের। এমনকি ‘প্রিন্স অব টলিউড’ও বলা হয় অভিনেতাকে। নারী ভক্তের সংখ্যাও কম নয় এই তারকার। কিন্তু বিগত দুই দশক ধরে মহেশের মনের রানি হয়ে আছেন স্ত্রী নম্রতা শিরোদকর।

নম্রতা অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিংও করতেন। ১৯৯৩ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’ বিজয়ী হয়েছিলেন অভিনেত্রী। পরে ভারতের হয়ে ‘মিস ইউনিভার্স’ আসরে প্রতিনিধিত্ব করে পঞ্চম হন তিনি। সে সময় সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল একটি ক্যারিয়ার ছিল নম্রতার। কিন্তু বিয়ের পর অভিনয়কে বিদায় জানান এই লাস্যময়ী।

কয়েক দিন আগে তেলেগুর একটি ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে নম্রতা বলেন, স্বামী মহেশের কারণেই অভিনয় থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। সে সময় মহেশ পরিষ্কার তাকে জানিয়েছিলো, সে কর্মজীবী কোনো স্ত্রী চায় না। যদি তখন আমি কোনো অফিসেও চাকরি করতাম, তাহলেও কাজটি ছেড়ে দিতে বলতো। এরকম বেশ কিছু বিষয়ে বিয়ের আগেই বোঝাপড়া হয়েছিল দুজনের মধ্যে।

এর আগে অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই অভিনেত্রী বলেছিলেন, নায়িকা হওয়ার চেয়ে মহেশের স্ত্রী হতে বেশি পছন্দ করেন তিনি। কিন্তু তবুও টলিউডে গুঞ্জন রয়েছে, মহেশের কারণে অভিনয় ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন অভিনেত্রী।

তিনি আরও বলেন, বিয়ের আগে আমি মহেশকে বলেছিলাম, বিয়ের পর অ্যাপার্টমেন্ট থাকব। কারণ হায়দরাবাদে গিয়ে এত বড় বাংলোতে কীভাবে থাকবো, তা ছাড়া অনেক ভয়ও পাচ্ছিলাম আমি। যার কারণে নতুন একটি অ্যাপার্টমেন্টে আমরা থাকা শুরু করি। হায়দরাবাদে গিয়ে এই শর্তই দিয়েছিলেন স্বামীকে।

একইভাবে, মহেশও চেয়েছিল, আমি যেন কোনও কাজ না করি। যার জন্য বিয়ের আগেই আমার সব সিনেমার কাজ শেষ করে ফেলি।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মহেশ-নম্রতা। গৌতম কৃষ্ণা এবং সিতারা নামে দুজন সন্তান রয়েছে এই দম্পতির।

বর্তমানে জনপ্রিয় বিনোদন মাধ্যম ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। সবধরনের সিনেমাই ব্যাপক দর্শকজনপ্রিয়তা পাচ্ছে এই মাধ্যমে। নতুন বছরে ওটিটিতে দেখা মিলবে বেশকিছু জনপ্রিয় তারকাদের। ২০২৩ সালে ওটিটিতে প্রথমবার দেখা যাবে কারিনা কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফকে। সরাসরি মুক্তি পাবে তাদের দুটি সিনেমা।

এছাড়া রশ্মিকা মান্দানা, ইয়ামি গৌতম, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, বিজয় মালহোত্রা, আলি ফজল থেকে শুরু করে বিশাল ভারদ্বাজ এবং আলি আব্বাস জাফরের মতো পরিচালকদের দেখাও পাওয়া যাবে ওটিটিতে।

কারিনা-ক্যাটরিনাসহ আরও তিনটি সিনেমা মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে। আসুন ছবিগুলো এক ঝলক দেখে নেওয়া যাক-

দ্য ডিভোলিউশন অব সাসপেক্ট এক্স : জাপানি উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হবে। মূলত একজন সিঙ্গেল মায়ের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হবে এটি। এতে অভিনয় করবেন কারিনা কাপুর খান, বিজয় বর্মা এবং জয়দীপ আহলাওয়াত।

চলতি বছর ওটিটির জন্য একটি ‘সুপার সোলজার’ নামক একটি ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক আলি আব্বাস জাফর। এটি একটি সায়েন্স ফিকশন সিনেমা। এতে অভিনয় করবেন ক্যাটরিনা কাইফ। ছবিটি মুক্তি পাবে ২০২৩ সালে।

মিশন মজনু: আগামী ১৯ জানুয়ারি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে শান্তনু বাগচী পরিচালিত এই ছবিটি ‘মিশন মজনু’। ইতোমধ্যে এটার টিজার এসে গেছে। ছবিটি একজন ভারতীয় আন্ডারকভার এজেন্টের গল্পকে তুলে ধরা হবে। যিনি ১৯৭০ দশকে পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যাপক আঘাত হেনেছিলেন। এর মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও রশ্মিকা মান্দানা।

ইন্টেলিজেন্স: দীর্ঘদিন পর এস্কেপ টু নো উপন্যাসের অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক বিশাল ভারদ্বাজ। ছবিটি একজন গোয়েন্দা ও দেশদ্রোহীকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। এই ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন টাবু, আলি ফজল, ভামিকা গাব্বি, অ্যালেক্স ও’নিল এবং আশিস বিদ্যার্থী।

এছাড়া একটি ক্রাইম থ্রিলার সিনেমা মুক্তি পাবে। যার মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ইয়ামি গৌতম ও ভিকি কৌশলের ভাই সানি কৌশল। এটি একজন ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট এবং তার ব্যবসায়িক অংশীদারের পরিকল্পনাকে দেখানো হবে। যেখানে, তারা হীরা চুরি করার প্ল্যান করে, এতে বিপদে পড়েন বিমানযাত্রীরা।

 

দেশের বাইরে যাওয়ার ব্যাপারে আদালত রাজি না হওয়ায় বাধ্য হয়েই আবেদন প্রত্যাহার করেছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) দিল্লির পাতিয়ালা হাউস পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বাহরাইন যাওয়ার অনুমতি চান জ্যাকলিন। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) হওয়া শুনানিতে আদালত তাকে অনুমতি দেয়নি।

এদিন শুনানিতে জ্যাকলিনের আইনজীবী আদালতে তার মায়ের অসুস্থতার কথা জানিয়ে মানবিক কারণে দেশের বাইরে যাওয়া অনুমতি চান।

এর প্রেক্ষিতে সুকেশের মামলা আপাতত ‘সংবেদনশীল’ পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে আদালত বলেন, সম্ভব হলে জ্যাকলিনের উচিত হবে বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা ত্যাগ করা।

সবশেষে আদালত জ্যাকলিনকে বলেন, আমি আপনার উপর ছেড়ে দিচ্ছি আপনি এই আবেদন প্রত্যাহার করতে চান, নাকি এই নিয়ে বিচার বিভাগের রায় শুনতে চান।

আদালত এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জ্যাকলিন তার আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।

প্রসঙ্গত, আর্থিক অনিয়মের মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জ্যাকলিনের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় রীতিমত বেকায়দায় আছেন বলিউডের এই অভিনেত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *