নগরীর কর্মচারীদের বৈষম্যে প্রতিবাদ

নগরীর দোকান খোলা রাখা ও কর্মচারীদের সাথে বৈষম্যে প্রতিবাদ
শ্রম অধিদপ্তর রংপুরের কতিপয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাক্ষ মদদে এবং যোগসাজসে শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন শপিংমল ও মার্কেটের অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক দোকান খোলা রাখা, কর্মচারীদের সাথে অসৎ ব্যবহার ও বৈষম্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন রংপুর মহানগর দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন।
গত শুক্রবার বাদ এশা নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে রংপুর মহানগর দোকান কর্মচারী ইউনিয়নে উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রংপুর মহানগর দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি জাহেরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন রংপুর মহানগর দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজাহারুল ইসলাম মন্টু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান লিটন, সহ-সভাপতি মোঃ পারভেজ আলম, যূগ্ম সম্পাদক মোজাফ্ফর আহমেদ মুরাদ, সহ-সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, সৈয়দ স্বপন, অর্থ সম্পাদক আখতার হোসেন পাশা, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর শেখ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান, দপ্তর সম্পাদক রবিউল ইসলাম ও ক্রীড়া সম্পাদক রাহেল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
শ্রম অধিদপ্তর রংপুরের কতিপয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাক্ষ মদদে এবং যোগসাজসে শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন শপিংমল ও মার্কেট খোলার রাখার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সভা বক্তারা বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী দেড় দিন একজন কর্মচারী ছুটি দেয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু দেড় দিন ছুটি তো দুরের কথা একদিন সপ্তাহে শুক্রবার সেই দিনও ছুটি দিচ্ছেন না মালিকরা। মালিক পক্ষের নিকট কর্মচারীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। সপ্তাহে একদিন শুক্রবার মার্কেট বন্ধ থাকলে কর্মচারীরা একদিন ছুটি কাটাতে পারেন। মালিকরা সেই ছুটিটিও কেড়ে নিয়েছে শুক্রবার দোকান খোলা রেখে।
বক্তারা বলেন, শ্রম অধিদপ্তরকে বিষয়টি অবগত করা হলে তারা তা কর্ণপাত না করে কতিপয় কর্মকর্তা মালিকদের সাথে সক্ষতা রেখে শুক্রবার দোকান খোলা রাখায় মমদ যোগাচ্ছে। মালিক পক্ষ কর্মচারীদেরকে কর্মচারী ভাবছেন না। তারা কর্মচারীদের দিন মজুর মনে করেন। কোনো কারনে একদিন দোকানে না আসলে সে দিনের বেতন দেয়া হয় না। (না কাজ না বেতন) আমরা যেন দিন মজুর। দোকানে আসলে বেতন, আর না আসলে বেতন নাই। একজন দোকান কর্মচারীকে দিন মজুর এর মতো মূল্যায়ন  করছে মালিক পক্ষ। শুক্রবার দোকান বন্ধ রাখার বিষয়ে শ্রম অধিদপ্তরকে অভিযান পরিচালনা করা আহবান জানালে তারা শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন। মাঠ পর্যায়ে তাদের কোনো ভূমিকা নেই। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আগামীতে শুক্রবার থেকে দোকান খোলা রাখা হলে দোকান কর্মচারীরা বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে।
এম. মিরু সরকার
তাং- ২৪.০৯.২০২২ইং
মোবাঃ- ০১৭১৭৩১৬২৫১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *