টেকনাফ কৃষক কে ডাকাত সাজিয়ে প্রভাব বিস্তার প্রভাবশালি

টেকনাফ কৃষক কে ডাকাত সাজিয়ে প্রভাব বিস্তার প্রভাবশালি

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ (কক্সবাজার)
কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা পশ্চিম পান খালী ভিলেইজার পাড়া এলাকার একটি হত দরিদ্র কৃষক পরিবার কে পাহাড়ী ডাকাত সাজিয়ে একটি ষড়যন্ত্র কারী মহল প্রশাসন কে মিথ্যা উদ্ভট তথ্য দিয়ে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী এক পরিবার।

জানাযায়, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালীস্থ ভিলেইজার পাড়া এলাকার মৃত, উমর আলীর ছেলে জামাল হোছাইন ( ৪২) জামাল উদ্দীনের দুই ছেলে আলমগীর (২০) ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে জাহাঙ্গীর (১৬) হত দরিদ্র পরিবার বড় লেচুয়াপ্রাং এলাকার কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে, তাদের এই কর্ম জীবন একটি প্রভাবশালী মহলের নজর পড়ে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেব পাহাড়ী ডাকাত, অপহরণ কারী চক্রের সদস্য, ও অস্ত্র ব্যবসায়ী সাজিয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসন কে দালাল চক্রের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এলাকা ছাড়া করে নিজেরা ফায়দা লুটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসীর সাথে কথাবলে জানা গেছে জামাল কোন সন্ত্রাসী, চোর, ডাকাত, ও অস্ত্রবাজ নয়। সে একজন সাধারণ কৃষক, কিন্তু সাধারণের মধ্যে আবার অসীম সাহসের অধিকারীই বটে, যারা এলাকার অসহায় কৃষক যারা পাহাড়ী এলাকায় চাষাবাদ করে জীবন যাপন করছে তাদের রক্ষা কারী হিসেবে সবাই কে সাথে নিয়ে পাহাড়ী হাতির পাল থেকে ফসল রক্ষার কাজে নিয়োজিত থেকে সহযোগিতা করে থাকে।

তার অসীম সাহসের কারণে প্রকৃত পাহাড়ী ডাকাত গ্রুপ যাদের কে পুঁজি করে এলাকার কোটিপতি প্রভাবশালীরা আরো কোটি পতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে তারা বে সামাল।

একমাত্র জামালের অসীম সাহসই তার কাল। তাই তাকে এলাকা থেকে পরিকল্পিত ভাবে সরিয়ে দিয়ে দরিদ্র এই কৃষক পরিবারটির সহায় সম্পদ ও ভিটে বাড়ী জবর দখল করার জন্য তাকে এলাকা থেকে সরানোর হীন অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মহলটি।

ভুক্তভোগী জামাল সাংবাদিকদের জানিয়েছন তিনি কখনো সন্ত্রাসী, ডাকাত অপহরনকারী ছিলেন না। তাকে পরিকল্পিত ভাবে ডাকাত ও অপহরনকারী বানিয়েছে এলাকার কিছু প্রভাবশালী। তিনি প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়ে বলেছেন আপনারা এলাকায় আসেন কোন দালালদের কথা না শুনে তদন্ত করেন যদি আমি চোর, ডাকাত, অপহরনকারী এই সমস্ত কাজের সাথ জড়িত আছি কিনা?

যদি প্রমাণ করতে পারলে আপনাদের পক্ষ থেকে যে শাস্তি দেয়া হয়না কেন আমি সব কিছু মেনে নেব। সুতারাং আমাকে একটু আপনারা সহযোগিতা করুন।

তিনি আরো বলেন, আমি সকল প্রশাসন কে বিনতি অনুরোধ করে বলছি, আমি এ সমস্ত অপবাদ নিয়ে আর বাঁচতে চায়না, আমি গত রমজার ঈদে এই অপবাদ এর ভয়ে গ্রামে গিয়ে ঈদ করতে পারিনি, আমি গ্রামে প্রতিবেশির সাথে বসবাস করতে চাই, আমি আলোর দিকে ফিরে যেতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *