জাতীয় কমিটির কোভিডের বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, সারাদেশে ইতোমধ্যে ১০ কোটি ৯২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭৭ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

 

সব মিলিয়ে ৬ কোটি ৬৫ লাখ ১৪ হাজার ৮৮৬ জন টিকার অন্তত একটি ডোজ পেয়েছেন। আর তাদের মধ্যে ৪ কোটি ২৭ লাখ ৫২ হাজার ৬৯১ জন দুটি ডোজ পেয়েছেন।

 

এই হিসাবে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার মোটামুটি এক চতুর্থাংশ কোভিড টিকার দুটি ডোজ পেয়েছেন।

 

অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষ দুই ডোজ টিকা পাওয়ার আগে তৃতীয় ডোজের পক্ষে ছিলেন না বাংলাদেশের গবেষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর এখনও দেশেও টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

 

গবেষকরা বলছেন, দুই ডোজ টিকা ওমিক্রনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে না, সেজন্যই বুস্টার প্রয়োজন। এরই মধ্যে তিন ডজন দেশে করোনাভাইরাসের এই নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়েছে। দুদিন আগে বাংলাদেশেও দুজনের মধ্যে এ ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

 

বুস্টার ডেজ চালাতে গেলে হাতে পর্যাপ্ত টিকাও থাকতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, সরকারের হাতে এখন ৪ কোটি ডোজ টিকা মজুদ আছে।যাদের বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে গেছে, এবং যারা কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে আছেন, তাদের করোনাভাইরাসের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরী পরামর্শক কমিটি।

 

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরামর্শক কমিটির ৪৯তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

 

সেখানে বলা হয়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক কোভিডের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে জাতীয় কমিটির কাছে মতামত চেয়েছিলেন। সে অনুযায়ী কমিটি বৈঠক করে তাদের সুপারিশ জানিয়েছে।

 

সেখানে বলা হয়েছে, “কোভিডের নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত টিকা নিশ্চিত করে ষাটোর্ধ্ব ও ফ্রন্টলাইনার, যাদের দুই ডোজ টিকা অন্তত ছয় মাস আগে দেওয়া হয়েছে, এমন জনগোষ্ঠীকে কোভিডের বুস্টার ডোজ দেওয়া যেতে পারে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *