গোল করতে পারছে না

যে কারণে গোল করতে পারছে না বাংলাদেশের আক্রমণভাগ

শ্রীলঙ্কায় চারজাতি ফুটবল টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল বাংলাদেশ। সেশেলসের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় মারিও লামোসের শিষ্যরা। ম্যাচের শেষ দিকে এসে গোল হজম করে জামাল ভূঁইয়ার দল। এতে

১-১ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বেঙ্গল টাইগারদের।

আফ্রিকার দেশটির বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সুমিংপুল ও জিম সেশন করেছে লাল-সবুজরা। ফাঁকে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বসুন্ধরা সিটির এই তারকা।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে কলম্বোর রেস কোর্স স্টেডিয়ামে ১৩ নভেম্বর মালদ্বীপের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ১৬ নভেম্বর শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে লড়বে জামাল ভূঁইয়ারা। রাউন্ড রবিন লিগের সেরা দুই দল আগামী ১৯ নভেম্বর ফাইনালে মুখোমুখি হবে।

‘ম্যাচটা আমাদের জেতা উচিৎ ছিল। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য মালদ্বীপের ম্যাচ। ওইটা নিয়ে আমরা পরিকল্পনা সাজাচ্ছি যাতে জিততে পারি। ম্যাচে তিনটা পয়েন্ট পাওয়া উচিৎ ছিল। যা গেছে আমাদের সামনের দিকে আগাতে হবে।’ বলছিলেন ইব্রাহিম।

সোমবার (৮ নভেম্বর) উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশের। প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে টুর্নামেন্টে শুরু হয় মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর)। বাংলাদেশ খেলেছে বুধবার (১০ নভেম্বর)। এগিয়ে থেকেও প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হওয়া কারণ হিসেবে বারবার সূচি পরিবর্তনকে দায়ী করেছে ইব্রাহিম।

‘টানা দুই দিন ম্যাচ পেছনোর জন্য। আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম আট তারিখ খেলবো ওটা হয়নি, নয় তারিখে। নয় তারিখ হয়নি দশ তারিখে। পেছাতে পেছাতে এক সময় খেলোয়াড়দের মনে হচ্ছিল টুর্নামেন্ট বাতিল হবে। হঠাৎ করে আমাদের বলা হলো অনুশীলন করতে ম্যাচ হবে। মাঠের একটা বিষয় ছিল। কী পরিমাণ বৃষ্টি হলে একটা ম্যাচ পিছিয়ে দিতে হয়। না হলেতো আমরা আট তারিখ খেলতাম। মাঠ অনেক ভারী ছিল।’

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ফিনিশিংয়ের দুর্বলতা রয়েছে। বার বার ব্যর্থ হচ্ছে আক্রমণভাগের সদস্যরা। তার পেছনে কারণ হিসেবে একসঙ্গে অনুশীলন ও পজিশন পরিবর্তন।

‘অনেক কাজ করতে হবে। আলাদা আলাদা দলের হয়ে খেলে জাতীয় দলে নামছি। আমি খেলি উইঙ্গার হিসেবে। এখানে স্ট্রাইকিং পজিশনে খেলছি। সেন্ট্রাল মিডফিল্ড থেকে আমাকে উইংয়ে পাঠানো হয়। পজিশন সুইচের কারণে আমাদের স্কোরিংয়ে ফোকাস কম হচ্ছে।’ যোগ করেন তিনি।

গোল খরা কাটানোর উপায় জানতে চাওয়া হয় বসুন্ধরা কিংসের এই ফরোয়ার্ডের কাছে। স্কোয়াডে থাকাদের নিয়ে একযোগে প্রস্তুতি নেয়ার পক্ষে মত দিলেন কক্সবাজের এই ফুটবলার।

‘এর থেকে সমাধান হচ্ছে একসঙ্গে অনেকদিন অনুশীলন করা। আমরা মাত্র তিন দিন এক সঙ্গে অনুশীলন করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *