কেউ চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে না বলে হতাশ

কেউ চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে না বলে হতাশ পাপন

২০১২ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সরকারের মনোনয়নে বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পান নাজমুল হাসান পাপন। এরপর ২০১৩ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন তিনি।

 

২০১৭ সালের নির্বাচনে আবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বোর্ড সভাপতি হন নাজমুল হাসান পাপন। এবারের নির্বাচনের আগে পাপন জানান, কিছুটা রদবদল আসতে পারে। পরিবর্তন হতে পারে অনেক কিছু।

 

 

তবে কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে না বলেও ধারণা অনেকের। সেটি আরও স্পষ্ট করলেন নাজমুল হাসান পাপন নিজেই। মঙ্গলবার বিসিবির নির্বাচন পূর্ব বোর্ড সভা শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে হতাশা প্রকাশ করেন বর্তমান সভাপতি।

 

তিনি বলেন, “আমি যদি এখানে (বিসিবি) থাকি আমার একটা জিনিস মনে হচ্ছে যে আমি মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত এ পদটায় (সভাপতি) কেউ দাঁড়াবে না, এটা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। কিন্তু আমি চাই বোর্ডে যারাই আসে তারা আমাকে চ্যালেঞ্জ জানাক। কেউ বলকু, সভাপতি হতে চাই, কেউ তো বলেও না! এটা ভালো লক্ষণ নয়।”

 

ঠিক কী কারণে কেউ চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে না নাজমুল হাসানকে এটিও স্পষ্ট নয় তার কাছে। তিনি মনে করেন, যোগ্য লোক থাকা স্বত্বেও সামনে আসতে চাইছে না।

 

“কারো জন্য কিছু আটকে থাকে না। আমাদের একটা পাইপলাইন থাকা উচিত যেখানে নতুন নেতৃত্ব আসবে। নেতৃত্ব দেওয়ার মতো লোক আছে কিন্তু দুঃখজনক হলো, কেউ আসতে চায় না। প্যানেল দিলে হয় কী কেউ দাঁড়ায়ই না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন উন্মুক্ত থাকুক।”

 

নির্বাচনের জন্য ১৭১ জন কাউন্সিলরের তালিকাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে আগামী শুক্র ও শনিবার। সোমবার হবে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন। বাছাই শেষে পরের দিনই প্রকাশ করা হবে।

 

এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় থাকবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের। ওইদিন কাটছাঁট হলে দুপুর ২টায় চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে প্রার্থীদের।

 

৬ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে প্রাথমিক ফল প্রকাশ করে ৭ তারিখ দুপুর ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে ফলাফল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *