ইনক্লুসিভ একটা নির্বাচন চায়

 শনিবার নগরীর জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, নবাবগঞ্জ বাজার, নিউ মার্কেট ও মিনি মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটে লাঙ্গল মার্কার গণসংযোগ করেন জাপার রসিক মেয়র প্রার্থী মোঃ মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।
আমরা সকলে মিলে ইনক্লুসিভ একটা নির্বাচন করতে চাই ….. জাপার রসিক মেয়র প্রার্থী মোস্তফা
জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, আমি মনে করি যে ২৭ ডিসেম্বর যে নির্বাচনটা হবে তা উৎসবমূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। লাঙ্গল প্রতিক বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবে। এখন ব্যবধানটা কত হবে, সেটা আমি বলতে পারছিনা। তবে ইনশাআল্লাহ আমরা মনে করি আল্লাহর যদি রহমত থাকে, কোনো ধরনের বালা মছিবত না আসে, তাহলে গণমানুষ প্রায় রায় দিয়ে দিয়েছে। আমরা মনে করি আমাদের রেজাল্টা অত্যান্ত পজেটিভ হবে। আমরা সকলে মিলে ইনক্লুসিভ একটা নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচনী পরিবেশটা ঠিক রাখতে চাই। আচারণ বিধি মেনে নির্বাচনটা করতে চাই। বিষয়গুলো প্রত্যেকটা প্রার্থী যদি ঠিক রাখি, তাহলে সুন্দর একটা নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
শনিবার নগরীর জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, নবাবগঞ্জ বাজার, নিউ মার্কেট ও মিনি মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটে লাঙ্গল মার্কার গণসংযোগে জাপার মেয়র প্রার্থী মোঃ মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এ সব কথা বলেন।
জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, আমাদের কাছে তো নির্বাচনী আইন ও বিধিপত্র আছে, সেগুলো মেনেই আমরা নির্বাচন পরিচালনা করছি। ৮জন নেতা-কর্মী বের হয়েছি গণসংযোগ করার জন্য। কোথাও গণসংযোগ করতে গেলে স্থানীয় লোকজন ভিড় করছে।
যেমন এখন প্রায় ৩শত লোক জমা হয়েছে, আমাকে দেখলে লোক ছুটে আসে। তাহলে কি আমি ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিবো। মানুষজন মোটরসাইকেল নিয় ঘুরে ঘুরে আমাকে উৎসাহ দিচ্ছে। এর জন্য তো আমি দায়ী না, ভোটারদেরকে তো আমি বাধা দিতে পারি না।
মোস্তফা আরও বলেন, মানুষের আবেগ-উচ্ছ্বাস দেখে এরশাদের প্রতি ভালোবাসা দেখেই বোঝা যাচ্ছে এবার লাঙ্গল প্রতীকে ভোট বিপ্লব ঘটবে। আমার পথ সভা গুলোতে বেশি লোক হওয়ায় জনসভা করার যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিছক মিথ্যা। যারা অভিযোগ করেছে,সেই সব প্রার্থীর পথসভায় তো লোক হয় না। আমার পথসভায় লোক আসলে আমি কি করব? আশা করছি গত নির্বাচনের চাইতে এবার আরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতবো ইনশাআল্লাহ।
গণসংযোগে অংশ নেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও  নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক এস এম ইয়াসির, জেলা জাপার সদস্য সচিব হাজী আব্দুর রাজ্জাক, জাপা রংপুর মহানগর সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন, জাহেদুল ইসলাম, যুব সংহতির জেলা সভাপতি হাসানুজ্জামান নাজিম, মহানগর ছাত্র সমাজের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত আসিফ, যুব সংহতি রংপুর মহানগর সভাপতি শাহীন হোসেন জাকির, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি রংপুর মহানগর আহবায়ক ফারুক হোসেন মন্ডল, সদস্য সচিব মাসুদ রানা বিপু, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি রংপুর জেলার সদস্য সচিব মাহাবুবর রহমান বেলাল, জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট দোকান মালিক সমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আলতাফ হোসেন, মহানগর দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, নবাবগঞ্জ বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আকবর আলীসহ জাতীয় পার্টি নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৭ ডিসেম্বর। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের করবেন ভোটাররা। রংপুর সিটি করপোরেশনের তৃতীয় নির্বাচনে মেয়র পদে ৯জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরসহ এবার মোট ২৬০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর এই সিটিতে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবার পুরো সিটির ২২৯টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *